বসন্তের ফাগুন হাওয়া শেষে চলে এলো গ্রীষ্ম।গ্রীষ্মের তপ্তরোধে নানা কাজে প্রায় আমাদের পথে বেরোতে হয় এবং নানা সমস্যার সম্মুখীন ও হতে হয়।প্রচন্ড গরমে ‘হিট স্ট্রোক’ কিংবা শরীর পুড়ে যাওয়া , ডিহাইড্রেশন সহ আমাদের শরীরের অনেক ধরনের সমস্যা হয়।
কিন্তু একটু সাবধানতাই আমাদের এসব থেকে রক্ষা দিতে পারে।এজন্য আপনি যা যা করতে পারেনঃ
১। পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করুন: এই গরমে দেহকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করে আর্দ্র রাখার জন্য আমাদের সবারই প্রচুর পানি পান করা উচিত।পানি বা জল সর্ব সমস্যার প্রথম সমাধান।গরমের দিনে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে।এতে করে ‘ডিহাইড্রেশন,জন্ডিস’ ইত্যাদি হতে মুক্ত থাকা যায়।খেতে পারেন লেবুর সরবত যা অত্যন্ত উপকারী।
৪। ত্বকের যত্নে:
ত্বক ঠিক রাখতে হালকা জামা কাপড় পড়ুন।এতে করে শরীরে পর্যাপ্ত বাতাস পাবে।অবশ্যই প্রতিদিন গোসল করতে হবে এবং মুখের ত্বকের জন্য আলাদাভাবে যত্ন করতে হবে।এজন্য চন্দন কিংবা এলোভেরা ব্যবহার করতে পারেন।এলোভেরা এবং চন্দন মুখে লাগিয়ে রেখে দিন ১-২ ঘন্টা।চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন শসা।
৪। ত্বকের যত্নে:
ত্বক ঠিক রাখতে হালকা জামা কাপড় পড়ুন।এতে করে শরীরে পর্যাপ্ত বাতাস পাবে।অবশ্যই প্রতিদিন গোসল করতে হবে এবং মুখের ত্বকের জন্য আলাদাভাবে যত্ন করতে হবে।এজন্য চন্দন কিংবা এলোভেরা ব্যবহার করতে পারেন।এলোভেরা এবং চন্দন মুখে লাগিয়ে রেখে দিন ১-২ ঘন্টা।চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন শসা।
২।ডাবের পানি পান: ডাবের পানি এই সময় অত্যন্ত উপকারী।ডাবের পানি প্রাকৃতিক স্যালাইন হিসেবে খ্যাত।পানিশুন্যতা পূরনে এর ভূমিকা অতুলনীয়।ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ আছে। ১ কাপ ডাবের পানিতে যা খনিজ পদার্থ আছে, তা অনেক স্পোর্টস ড্রিংকের চাইতেও বেশি।একটি ডাবে একটি কলার চাইতে বেশি পটাশিয়াম থাকে।এছাড়াও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন,হাইপারটেনশন কমানো এবং ত্বক সুরক্ষায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
৩। দুধের শক্তি: এছাড়াও শরীর ঠান্ডা রাখতে খতে পারেন দই কিংবা দুধ।আজেবাজে আইস্ক্রিম না খাওয়াই ভালো।এতে করে শর্করা ও প্রোটিন এর সাথে সাথে শরীর ঠান্ডা হবে।তবে এগুলো রাতে খাওয়া ভালো।
৫। পুাষ্টিকর খাবার: এছাড়া পেঁয়াজে এক ধরনের 'অ্যান্টি অ্যালার্জেন' রয়েছে যা শরীর ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখে।পর্যাপ্ত প্রোটিনের মাত্রা ধরে রাখতে সেদ্ধ ডিম খুবই উপকারী।গোলাপ ফুলের শুকনো পাঁপড়িকে বলে গুলকন্দ। গুলকন্দ রাতে খেতে পারেন এবং রাতের খাবারে বেশী বেশী সালাদ রাখুন।
৬। রোদ থেকে দূরে থাকুন:
গরমের সময়ের একটি মারাত্মক স্বাস্থ্যগত সমস্যার নাম হিটস্ট্রোক। চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট এর বেশী হলে তাকে হিটস্ট্রোক বলে। হিটস্ট্রোক এড়াতে যথাসম্ভব ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন।
৭। অতিরিক্ত খাবার পরিহার করা:
তেল চর্বিযুক্ত খাবার এবং ক্যাফেইন জাতীয় খাবার পরিহার করা উত্তম।যেমনঃ চা , কফি।
৮। রোদ থেকে বাঁচুন:
বাইরের রোদ থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহার করতে পারেন সান গ্লাস এবং ঢিলেঢালা পোশাক যা আপনাকে অনেকটাই স্বাচ্ছন্দ্য দেবে।
৯। মুখের যত্নে:
সূর্যের দাবদাহ থেকে ত্বককে রক্ষার জন্য শরীরের উন্মুক্ত অংশে সানস্ক্রিন ক্রিম মাখা যেতে পারে। সানস্ক্রিন প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর মাখতে হয়।
১০। হালকা গন্ধের পারফিউম মাখুন:
যদি গরম বেশি পড়ে তাহলে ভারী ও কড়া গন্ধের পারফিউম মাখবেন না। কড়া পারফিউমে আপনার শরীরে গরম লাগার ভাব বেড়ে যাবে। এ সময় একেবারে হালকা গন্ধের পারফিউম মাখুন। কিছু কিছু পারফিউম আছে যা মাখলে শরীরে ঠান্ডা অনুভূত হয়।
সর্বোপরি এখানে চেষ্টা করেছি ভালো থাকার সর্বোত্তম উপায়গুলো জানানোর জন্য।আশা করি উপায়গুলো কাজে লাগাবেন।এতে করে এই গরমে আপনি এবং আপনার পরিবার পেতে পারেন সুস্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা।এমন আরো আরো উপায়ের আমাদের সাথেই থাকুন।ধন্যবাদ।
